শুক্রবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৮
মঙ্গলবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৮
বয়েতঃ অনুরাগের ছোঁয়া
সাথে করে নিয়ে এসেছিলাম এক চেরাগ
জ্বলছিল না আলো যাতে..
সহসা এলো এক আওয়াজঃ "আলাস্ত বে রাব্বিকুম ?
'কালুবালা শাহিদান' বলেছিলাম তাতে।
নাফাকতু ফিহি মির রুহি বলে ফুঁক দিলেন যিনি
সহসা জ্বলিল বাতি, কেটে ঘোর নিশি
রাত্রি পোহালো তাতে। প্রভাত করিলেন তিনি।
দেখলামঃ
রৌশন হ্যায় রৌশন...হে চেরাগী
দিলমে রাখ না হ্যায় তুঝে হয়ে এক অনুরাগী।।
#স্বপন #চিশতী
বয়েতঃ বিরহ-বেদনা
আলাস্তো বে রাব্বুকুম, বলেছিলে যখন
কালু বালা শাহিদান বলে
সাক্ষ্য দিয়েছিলাম তখন।
হায়! কি হলো এখন...ভুলে সেই বাণী
প্রাণের কাছেই ডাকিতেছেন তিনি
সেই অমিয় বাণী আনি।
শুক্রবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৮
বয়েতঃ অবুঝ প্রেম
তোমাকে ভালোবাসতে বাসতে বাসতে
কাঁদতেই ভুলে গেছি, চোখে ছিল না কোন অশ্রুজল,
শুকনো দুটি হাতে ছিল গোলাপের কুঁড়ি
বুঝে নিও তুমি হৃদয় ছিল মোর রক্তাক্ত সজল।।
কেঁদে কেঁদে কতো নিশি করেছি যে ভোর
বাড়াওনিতো তব প্রেমে বাহু ডোর।।
হায়! কি ছিলো মোর ভুল, জানিনি তো আজি
চেয়ে চেয়ে তব পথ, সাজিয়ে রেখেছি পুজোর সাজি।।
#স্বপন #চিশতী
বাড়াওনিতো তব প্রেমে বাহু ডোর।।
হায়! কি ছিলো মোর ভুল, জানিনি তো আজি
চেয়ে চেয়ে তব পথ, সাজিয়ে রেখেছি পুজোর সাজি।।
#স্বপন #চিশতী
বৃহস্পতিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৮
বয়েতঃমানুষ
আমি ফেরেস্তা নই যে শুধুমাত্র তোমার প্রশংসা গীত গাইবো
আমি দানব নই যে কেবলমাত্র দানবীয় তান্ডব ঘটাবো।।
আমি মানুষ,মানবীয় দোষ-গুণেই কেবল উড়াই ফানুস
সৃষ্টির সেরা তো বলতে পারি না, তবুও বলি আমি মানুষ।।
আজব লীলায় ভরা আমার এই মন,
প্রেমে মাতে যখন-তখন।।
যখন তোমার করুণা যাচি, করুণার ভিক্ষারী হই তখন
রহমতের বারিধারায় সিক্ত না করিলে হৃদয়
ক্ষত বিক্ষত হয় তখন।
হে দয়াময়,
তোমার এই খেলায় খেলার পুতুল যখন বানিয়েছো
যা খুশি তাই করবে বলে করেছো পণ
তোমার ইচ্ছেতেই না হয় সঁপিলাম আমার এই মন।
এখন যা খুশি তাই করো, বাঁচাও কিংবা মারো
করিবো না কোন বচন।।
#স্বপন #চিশতী
প্রেমে মাতে যখন-তখন।।
যখন তোমার করুণা যাচি, করুণার ভিক্ষারী হই তখন
রহমতের বারিধারায় সিক্ত না করিলে হৃদয়
ক্ষত বিক্ষত হয় তখন।
হে দয়াময়,
তোমার এই খেলায় খেলার পুতুল যখন বানিয়েছো
যা খুশি তাই করবে বলে করেছো পণ
তোমার ইচ্ছেতেই না হয় সঁপিলাম আমার এই মন।
এখন যা খুশি তাই করো, বাঁচাও কিংবা মারো
করিবো না কোন বচন।।
#স্বপন #চিশতী
বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৮
বয়েতঃ তুমিই ফানি
কি অসীম বারতায় সাজিয়েছো তুমি, হে প্রভু
ভুলে যেন না যাই তোমায় কভু
পাপ তাপ যাই করি না কেন, হে অন্তর্যামী
জানো তো সবই তুমি, তোমাকেই নমি।।
প্রেমের আবেশে প্রিয়া যেরুপ ছুটে আসে
আমার এই মন কেবল তোমায় ভালোবাসে।।
কুল ইনকুনতুম বলে ছিলে তুমি,
হৃদয় মোর নাচে যেন সেই গান শুনি।।
বালাগাল উলা বলে যে সুর দিয়েছো তুমি
কাশাফাদ দোজায় তা টেনে আনি,
হাসানাত জামিওতে সাজিয়েছো, হে অন্তর্যামী
সাল্লু আলাইহাতে তুুমিই ফানি।।
ভুলে যেন না যাই তোমায় কভু
পাপ তাপ যাই করি না কেন, হে অন্তর্যামী
জানো তো সবই তুমি, তোমাকেই নমি।।
প্রেমের আবেশে প্রিয়া যেরুপ ছুটে আসে
আমার এই মন কেবল তোমায় ভালোবাসে।।
কুল ইনকুনতুম বলে ছিলে তুমি,
হৃদয় মোর নাচে যেন সেই গান শুনি।।
বালাগাল উলা বলে যে সুর দিয়েছো তুমি
কাশাফাদ দোজায় তা টেনে আনি,
হাসানাত জামিওতে সাজিয়েছো, হে অন্তর্যামী
সাল্লু আলাইহাতে তুুমিই ফানি।।
বয়েতঃ কবর
সবাই তো ছেড়ে যাবে.একে একে..
একদিন তুমিও ছেড়ে যাবে আমায় ফেলে
পড়ে রইবো অামি ধুলির পরে।
মিশে যাবো এই মাটির ঘরে...
রইবে নাকো কোনো চিন্হ এই পৃথিবীর পরে।
একদিন তুমিও ছেড়ে যাবে আমায় ফেলে
পড়ে রইবো অামি ধুলির পরে।
মিশে যাবো এই মাটির ঘরে...
রইবে নাকো কোনো চিন্হ এই পৃথিবীর পরে।
সোমবার, ১২ নভেম্বর, ২০১৮
অনুভব ও অনুস্বরণঃ মানুষ রতন
আজো পাই আমি মাটির সেই সোদা গন্ধ
মরে পঁচে গলে গিয়েছে যে অন্ধ অবুঝ মানুষটি
হয়তো মানুষ ছিল না, ছিল দানবের ফানুসটি।
এই ফানুসেই ছিল মানুষ রতন, চিনলো না দানবটি
করেনি তার যতন।।
হারিয়ে সেই অমুল্য ধন, মরে পচে গলে গিয়েছে
ছেঁড়া কাগজের মতোন। হায়, আমার কি হবে
ভাবি বসে আজি, মরন যে কাছে এল
করলাম না অাজো তার যতন।।
সময় যে আসছে ধেয়ে, খরস্র্রোতা নদীর মতন
হারিয়ে যাবো কি? পঁচে গলে সেই কাগজের মতোন?
কি অদ্ভুত, বিধাতার সৃষ্টি, জানিয়ে দিয়ে তিনি
করেছেন নিধি, থাকছেন সর্বক্ষণ, প্রহরীর মতোন।।
সহসা শুনতে পেলাম এক আওয়াজ,
সময় এখনো শেষ হয়নি....
করো যতন মনের মতোন, নয়তো পাবে না নিস্তার।
সৃষ্টির আদি কৌশলে আছে নুরে মুহম্ম দীর বিস্তার।
ধরো তারে করো যতন, মিলবে রতন মনের মতোন
ক্ষয় হবে না তোমার।।
#স্বপন #চিশতী
ছেঁড়া কাগজের মতোন। হায়, আমার কি হবে
ভাবি বসে আজি, মরন যে কাছে এল
করলাম না অাজো তার যতন।।
সময় যে আসছে ধেয়ে, খরস্র্রোতা নদীর মতন
হারিয়ে যাবো কি? পঁচে গলে সেই কাগজের মতোন?
কি অদ্ভুত, বিধাতার সৃষ্টি, জানিয়ে দিয়ে তিনি
করেছেন নিধি, থাকছেন সর্বক্ষণ, প্রহরীর মতোন।।
সহসা শুনতে পেলাম এক আওয়াজ,
সময় এখনো শেষ হয়নি....
করো যতন মনের মতোন, নয়তো পাবে না নিস্তার।
সৃষ্টির আদি কৌশলে আছে নুরে মুহম্ম দীর বিস্তার।
ধরো তারে করো যতন, মিলবে রতন মনের মতোন
ক্ষয় হবে না তোমার।।
#স্বপন #চিশতী
রবিবার, ১১ নভেম্বর, ২০১৮
বৃহস্পতিবার, ৮ নভেম্বর, ২০১৮
কেবল তোমারই জন্য
১৬.
তুমি কোনো এত সুন্দর করে সেজেছা?
কার জন্য? কাকে প্রলুব্ধ করার জন্য? আমারই জন্য।
হ্যাঁ। কেবল আমারই জন্য।
যদি আমি না-ই থাকতাম
তাহলে তোমার প্রেমের মহিমার কি দাম থাকতো?
আমি আছি বলেই তোমার প্রেমের মহিমা বর্ণনা করছি।
আমি আছি বলেই মজনু আছে। তুমি আছো বলেই লাইলী আছে।
হাজারো মজনুর দেহের মধ্যেই কেবল লাইলীর বাস।
লাইলী, তোমার চোখেই দেখে মজনুদের সর্বনাশ।।
ভেবে দেখেতো তুমি?
কে তোমার ঐ রুপের প্রশংসা করতো?
পাখিরা? ফেরেস্তারা? নাহ্
তারা বাক বাকুম কিংবা সোবহান আল্লাহ্ আলহামদুলিল্লাহ্ বলে চালিয়ে দিতো।
লিখতো না কোনো কাব্য..রচিত হতো না কোনো সাহিত্য
সৃষ্টি হতো না নাটক, নোবেল কিংবা কোনো কিছুই
হতো না নতুন কোনো সৃষ্টি।
বনেরা বনে সুন্দর, তেমন তুমি আছো বন্যে , হয়ে হন্যে
আমি আছি ..
আমি আছি কেবল তোমারেই জন্যে।।
#স্বপন #চিশতী
তুমি কোনো এত সুন্দর করে সেজেছা?
কার জন্য? কাকে প্রলুব্ধ করার জন্য? আমারই জন্য।
হ্যাঁ। কেবল আমারই জন্য।
যদি আমি না-ই থাকতাম
তাহলে তোমার প্রেমের মহিমার কি দাম থাকতো?
আমি আছি বলেই তোমার প্রেমের মহিমা বর্ণনা করছি।
আমি আছি বলেই মজনু আছে। তুমি আছো বলেই লাইলী আছে।
হাজারো মজনুর দেহের মধ্যেই কেবল লাইলীর বাস।
লাইলী, তোমার চোখেই দেখে মজনুদের সর্বনাশ।।
ভেবে দেখেতো তুমি?
কে তোমার ঐ রুপের প্রশংসা করতো?
পাখিরা? ফেরেস্তারা? নাহ্
তারা বাক বাকুম কিংবা সোবহান আল্লাহ্ আলহামদুলিল্লাহ্ বলে চালিয়ে দিতো।
লিখতো না কোনো কাব্য..রচিত হতো না কোনো সাহিত্য
সৃষ্টি হতো না নাটক, নোবেল কিংবা কোনো কিছুই
হতো না নতুন কোনো সৃষ্টি।
বনেরা বনে সুন্দর, তেমন তুমি আছো বন্যে , হয়ে হন্যে
আমি আছি ..
আমি আছি কেবল তোমারেই জন্যে।।
#স্বপন #চিশতী
শায়ের
১১.
কি তোমার রুপের বাহার! যেন তা তুলে ধরতেই তোমার আর্বিভাব
জগতকে মাতোয়ারা করার জন্য যে নাট্যমঞ্চটা তুমি তৈরী করেছো
আমিওতো সেখানে একজন দর্শক ছিলাম মাত্র।
প্রেমটাতো তোমার ছিল অন্য কোথাও..
অন্য কারো কাছে হয়তো, জানি সেটা আমার সাথে নয়তো।।
১২.
মাটি দিয়ে যে খামির তুমি তৈরী করেছো হে ঈশ্বর! সেটা তো আমি নই।
সেটা আবুল বাশার। আমিতো সেটাই, যেটাকে তুমি ফুঁকে দিয়েছো ঐটার ভেতর।।
১৩.
রুপের বাহার সাজিয়ে তুমি ভুলাচ্ছো প্রেমিকদের
করছো তাদের দিওয়ানা
তোমার প্রেমের মর্ম যে বুঝে না
কি বুঝবে তারা ঐ রুপের বাহানা।।
১৪.
হায় ঈশ্বর! তোমার লজ্জা থাকা উচিত নয় কি?
প্রেম করতে এসে ঘোমটা পড়ে থাকা, সেটা কখনো হয় কি?
১৫.
তুমি সেই যাকে আমি চিনি
যে পাখির কলোরবে,
নদীর কলতানে, মুখোরিত থাকে।
সুর্যের প্রদীপ্ত শিখায় জ্ব্যাজ্বল্যমান,
চাঁদের স্নিগ্ধতায় নীরবতায় ডাকে।।
শোনায় ঝিঁ ঝিঁ পোকার আহব্বান..
মৃদু সমীকরণে ঝিরি ঝিরি বাতাসে
স্নিগ্ধ হওয়ায় দোলায় প্রাণ।।
কি তোমার রুপের বাহার! যেন তা তুলে ধরতেই তোমার আর্বিভাব
জগতকে মাতোয়ারা করার জন্য যে নাট্যমঞ্চটা তুমি তৈরী করেছো
আমিওতো সেখানে একজন দর্শক ছিলাম মাত্র।
প্রেমটাতো তোমার ছিল অন্য কোথাও..
অন্য কারো কাছে হয়তো, জানি সেটা আমার সাথে নয়তো।।
১২.
মাটি দিয়ে যে খামির তুমি তৈরী করেছো হে ঈশ্বর! সেটা তো আমি নই।
সেটা আবুল বাশার। আমিতো সেটাই, যেটাকে তুমি ফুঁকে দিয়েছো ঐটার ভেতর।।
১৩.
রুপের বাহার সাজিয়ে তুমি ভুলাচ্ছো প্রেমিকদের
করছো তাদের দিওয়ানা
তোমার প্রেমের মর্ম যে বুঝে না
কি বুঝবে তারা ঐ রুপের বাহানা।।
১৪.
হায় ঈশ্বর! তোমার লজ্জা থাকা উচিত নয় কি?
প্রেম করতে এসে ঘোমটা পড়ে থাকা, সেটা কখনো হয় কি?
১৫.
তুমি সেই যাকে আমি চিনি
যে পাখির কলোরবে,
নদীর কলতানে, মুখোরিত থাকে।
সুর্যের প্রদীপ্ত শিখায় জ্ব্যাজ্বল্যমান,
চাঁদের স্নিগ্ধতায় নীরবতায় ডাকে।।
শোনায় ঝিঁ ঝিঁ পোকার আহব্বান..
মৃদু সমীকরণে ঝিরি ঝিরি বাতাসে
স্নিগ্ধ হওয়ায় দোলায় প্রাণ।।
শায়ের
১.জীবন বদলে যেতো যদি তুমি বদলাতে দিতে
দাওনি যখন তখন কেন করো এত হায়! হায়!!
২. হায় ঈশ্বর! কেনো তুমি এমন দিল দাও
যার ভার আমি সইতে পারবো না।
কেনো এমন মন দাও যাতে রইতে পারবে না।
৩. কি নিষ্ঠুর তুমি? তোমার চালাকি জানি
নিজেই কাটো আবার নিজেই সেলাই কর জামাখানি।।
৪. গোলাপ তো তুমিই শুকিয়ে ফেলেছো নিয়ে তার সৌরভ
এখনো সে ঘোষণা করছে তোমার মহিমার গৌরব।।
৫. হায়! কেমনে জানিবো সেই কথা যা তুমি গোপনে রেখেছো
আবার তা প্রকাশ করেই কেনই বা বিবাদ বাঁধাচ্ছো?
৬. কেমনে জানিবো বলো তোমার ভালোবাসার মর্মতায়
বুঝতে গিয়ে হারিয়ে গেছি, গভীর জলে নিমগ্নতায়।।
৭. এ কেমন তুমি? তোমাতেই যেন সকল গৌরব
অন্যরা তাহলে কি অন্যায় করলো..
৮. তোমাকেই যদি ভালোবাসতে হবে তাহলে
অন্য কিছুর কি দরকার ছিল?
ভালোবাসার পরিমাপ বুঝি কেবল তোমাতেই থাকে?
শুনে মিষ্টি হেসে বলে-মিষ্টিতো মিষ্টি। না খেলে কেমনে বুঝিবে
এ কেমনতর সৃষ্টি...
৯. গোলাপের বাগানে যদি এসেই পড়ো ভুল করে হলেও
তাহলে বুলবুলের গান শুনে আর সুবাসে মাতাও তোমার মন।
১০. তোমার মাঝে হারিয়ে যেতে আমার মানা নেই
কারণ, আমি কানা নই।
আমি দেখি তোমার সেই রুপের মাধুর্য্যতা..
যা এমনিতেই হারিয়ে ফেলে মন।।
শুক্রবার, ২ নভেম্বর, ২০১৮
মঙ্গলবার, ৩০ অক্টোবর, ২০১৮
বয়েতঃ আকাংখা
অন্তর মম কাতর কেবল তোমারই জন্য
ধরা যদি দাও হে খাজা, ধন্য হবে এই জন্ম।।
তোমারই হয়ে তোমারই রয়ে করে যাবো এই রীতি
তব প্রেম যেন মম অন্তরে বাজে সুর লয়ে সেই গীতি।।
কি এক অদ্ভুত আয়াত নাযিল করলে তুমি এই অন্তরে
মিকাইল ঝরায় বৃষ্টি দুটি নয়ন পাতে সেই মন্তরে।।
হুব্বুনাল্লাহে ওয়া হুব্বুন রসুল ওয়া উলিল আমর মিনকুম
সবি তোমার দয়া, ওগো মহান দয়াময়, ওগো রসুল (সাঃ)
একই সুত্রে গাঁথা যেন একই বৃন্তের সুগন্ধি ফুল।।
বয়েতঃ তোমার মহিমা বুঝতে পারেনি এ অন্তর
তোমার মহিমা বুঝতে পারেনি এ অন্তর..
মিথ্যে আস্ফালন আর হায় হুতাশে ভরে আছে নিরন্তর।
অথচ সুর্যের প্রখরতার প্রদীপ্ত আলোক রশ্মি র চেয়েও
তুমি দীপ্তিময়। পুর্ণিমা চাঁদের স্নিগ্ধতার চেয়েও তুমি স্নিগ্ধময়।
গোলাপের চেয়েও তুমি কোমল।
তেমার হৃদ কোমলের স্নিগ্ধতায়
গুঞ্জরে ভ্রমর ঢলে পড়ে তোমার উপর।
ফোটায় ফুল তোমার পদ কোমলে..
হায়! এ কেমন আমি...যে তোমাকে চিনতে পারেনি
বুঝতে পারেনি তোমার মহিমা...ধরতে পারেনি তোমাকে।
মধুকর তো ছুটে যায় তার প্রিয়ার সন্ধানে
বিহঙ্গতো উড়ে বেড়ায় মধ্য গগনে..ছুটে চলে দুর অজানায়
এ কেমন আমি...যার দুটি পা থাকা সত্ত্বেও ছুটে যায়নি
তোমার পানে।
দুটি হাত থাকা সত্ত্বেও ধরতে পারেনি তোমাকে...
কাটেনি কোনো প্রহর গুপ্ত ধ্যানে...
শুধু হায় হায় করে কেটে গেলো আমার সারাটা বেলা
ভাসাইনি তোমার পানে কোনো ভেলা।
ফোটায়নি হৃদকোমলে তোমার মহিমার ফুল।
যা করেছি তা সবই ছিল ভুল। শুধুই ভুল।
#স্বপন #চিশতী
সোমবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৮
বয়েতঃ তোমার প্রেমে
অয় বাবা চেরাগে চিশতী নুরে নযর
তেরি ইশক ছে চালালে তীর এই দিল কি আন্দার।
ঝরছে লহু...করছে যিকর, আল্লাহু আল্লাহু আকবর।।
জামবাটি তখনো ভরেনি,আপ কি ইশক কি শরাব ছে
হাজির হয়েছি জনাবে আলা, এই পানশালাতে।।
সাকী ঢালো শরাব, আজ করিবো পান
সারিদের আজ গাইতে বলো প্রাণখুলে গান।।
শুনে মাতাল হই, ঐ ইশকের আহ্বান
কুল ইন কুনতুম তুহিবুনাল্লাহে ফাত্তাবেউনি বেইউকুমুল্লাহ
লাব্বাইক ইয়া রাসুলাল্লাহ...লাব্বাইক ইয়া রাসুলাল্লাহ।।
তেরি ইশক ছে চালালে তীর এই দিল কি আন্দার।
ঝরছে লহু...করছে যিকর, আল্লাহু আল্লাহু আকবর।।
জামবাটি তখনো ভরেনি,আপ কি ইশক কি শরাব ছে
হাজির হয়েছি জনাবে আলা, এই পানশালাতে।।
সাকী ঢালো শরাব, আজ করিবো পান
সারিদের আজ গাইতে বলো প্রাণখুলে গান।।
শুনে মাতাল হই, ঐ ইশকের আহ্বান
কুল ইন কুনতুম তুহিবুনাল্লাহে ফাত্তাবেউনি বেইউকুমুল্লাহ
লাব্বাইক ইয়া রাসুলাল্লাহ...লাব্বাইক ইয়া রাসুলাল্লাহ।।
শনিবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৮
বয়েতঃআকংখা
জানি তুমি একদিন দিয়ে যাবে ফাঁকি
ফুরুৎ করে উড়ে যাবে আমার পরান পাখি।।
সেদিন যদি করো শত ডাকাডাকি তবুও
আমার ঘুম ভাংগবে না জানি।।
হায়! যদি পান করাও তব ইশকের শরাব
যদি পৌঁছে দাও অমৃতলোকে চুড়ান্ত মেহেরাব।।
সেদিন যদি আমায় খোঁজো বন্ধু, হয়ে বুঁদ
তবে পাবে আমায় পান্থশালায় নাস্তানাবুদ।।
তৃষিতের ঠোঁটে থাকবে জামবাটি
লয়ে চেহেরাতে পরিতৃপ্তির হাসি।।
বন্ধুরা সব আসবে লয়ে নুরানি চেহেরা
দেখবে তারা বুঁদ হয়ে পড়ে আছে এই বেচারা।।
#স্বপন #চিশতী
বৃহস্পতিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৮
বয়েতঃ প্রাণের স্বামী
সম্মাানের সহিত মাথা নিচু করে দাঁড়ায় তারা
মিমের অবয়অবের।।
প্রতিটি ধুলিকণা থেকে ফোটাও স্বামী
যা তোমার ইচ্ছাধীন। শুধু বলোঃ কুন ফা ইয়াকুন
প্রাণের আকুতি নিয়ে দাঁড়ায় তারা করিতে ইয়াকীন
মালেকুল মুলক তুমি, খালেকুল কুলও তুমি
তুমিই আমার প্রাণের স্বামী।।
এ বিশ্বে যা কিছু মহিমাময়, সকলেই তবত হয়
মহা মহিম তুমি, তুমিই অন্তরর্যামী,
তুমিই আমার প্রাণের স্বামী
তুমি ভিন্ন নাই গতি, করিতে উদ্ধার পাপমতি।।
হে স্বামী,
করি এই মিনতি, তোমারই দাসের যেন হয় গো মতি
চুপে চুপে যাবে চলে, ক'বে না কথা কারো সাথে
তোমাতে তোমারি হই।
#দিওয়ানে #সাকী #স্বপন #চিশতী
যা তোমার ইচ্ছাধীন। শুধু বলোঃ কুন ফা ইয়াকুন
প্রাণের আকুতি নিয়ে দাঁড়ায় তারা করিতে ইয়াকীন
মালেকুল মুলক তুমি, খালেকুল কুলও তুমি
তুমিই আমার প্রাণের স্বামী।।
এ বিশ্বে যা কিছু মহিমাময়, সকলেই তবত হয়
মহা মহিম তুমি, তুমিই অন্তরর্যামী,
তুমিই আমার প্রাণের স্বামী
তুমি ভিন্ন নাই গতি, করিতে উদ্ধার পাপমতি।।
হে স্বামী,
করি এই মিনতি, তোমারই দাসের যেন হয় গো মতি
চুপে চুপে যাবে চলে, ক'বে না কথা কারো সাথে
তোমাতে তোমারি হই।
#দিওয়ানে #সাকী #স্বপন #চিশতী
বুধবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১৮
মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর, ২০১৮
বয়েতঃ ওয়াজহুল্লাহ
তোমাকে দেখতে দেখতে আমি ক্লান্ত,
ত্যত,বিরক্ত। সাকী, নতুন কিছু চাই,
ঠিক তক্ষুণি দিলে শরাবে ইশকের দোহাই।
ঢেলে শরাব পিতে পিতে আমি তোমাতেই হারাই
হারিয়ে করি মাস্তি, বেসুরে গান গাই।
ত্যত,বিরক্ত। সাকী, নতুন কিছু চাই,
ঠিক তক্ষুণি দিলে শরাবে ইশকের দোহাই।
ঢেলে শরাব পিতে পিতে আমি তোমাতেই হারাই
হারিয়ে করি মাস্তি, বেসুরে গান গাই।
বয়েতঃ ওয়াজহুল্লাহ
কি এক অদ্ভুত আঁধার ঘিরে ধরেছিল আমায়
তুমি কাছে আসতেই তা হারিয়ে
গেল গভীর অনামিশায়।
তুমি কাছে আসতেই তা হারিয়ে
গেল গভীর অনামিশায়।
তোমার ঐ রুপের কাছে নগণ্য এই বিশ্বকর্মার রুপ
কিভাবে দেবো তোমার ঐ রুপের বর্ণনার সাতকহন,
বিশ্বকর্মা তো গড়েছে এই ভুবন তার মনের মতন।।
নীলাকাশে উড়ে চলা বকের মতোন কিংবা
ধরো ঘাস ফড়িংয়ের তিড়িং বিড়িং লাফিয়ে চলা;
অথবা বাবুই পাখির শিল্পসত্তার কাছে লীন হয়ে যাওয়া;
পাহাড়ের ঝর্ণা ধারায় অবিরাম বয়ে চলা অথবা
হাল্কা হাওয়ায় নীলাকাশে মেঘ হওয়া।।
বৃষ্টির মতোন ঝরে পড়া,
কিংবা শিশিরের বিন্দু বিন্দু জল
স্ফটিকের মতোন ঝরে পড়া।
চাঁদের আলোয় ভরা জোয়ারের পানিতে
নাচন কিংবা আলো-আঁধারের খেলা,
জোনাকী পোকার আলো আর ঝিঁ ঝিঁ পোকার ডাক
ঝিরি ঝিরি হাওয়ায় মন মেতে যাওয়া।।
কোনো কিছুতেই তুলনা চলে না তোমার
ঐ রুপের সাথে। কি দারুণ,দেখতে তুমি,
তোমার পদতলে চুমে,অবনত মস্তকে
মনে মনে তাইতো বলি,
হাই ইয়ার সু...ওয়াহ্ দাহু ওয়াহ্ দাহু
লা শারীকা লাকা ইল্লাহ্ হু...আইনামা
তুয়াল্লু ফাছাম্মাা ওয়াজহুল্লাহ্ হু ওয়াহ্ দাহু।।
#দিওয়ানে #সাকী #ম্বপন #চিশতী
কিভাবে দেবো তোমার ঐ রুপের বর্ণনার সাতকহন,
বিশ্বকর্মা তো গড়েছে এই ভুবন তার মনের মতন।।
নীলাকাশে উড়ে চলা বকের মতোন কিংবা
ধরো ঘাস ফড়িংয়ের তিড়িং বিড়িং লাফিয়ে চলা;
অথবা বাবুই পাখির শিল্পসত্তার কাছে লীন হয়ে যাওয়া;
পাহাড়ের ঝর্ণা ধারায় অবিরাম বয়ে চলা অথবা
হাল্কা হাওয়ায় নীলাকাশে মেঘ হওয়া।।
বৃষ্টির মতোন ঝরে পড়া,
কিংবা শিশিরের বিন্দু বিন্দু জল
স্ফটিকের মতোন ঝরে পড়া।
চাঁদের আলোয় ভরা জোয়ারের পানিতে
নাচন কিংবা আলো-আঁধারের খেলা,
জোনাকী পোকার আলো আর ঝিঁ ঝিঁ পোকার ডাক
ঝিরি ঝিরি হাওয়ায় মন মেতে যাওয়া।।
কোনো কিছুতেই তুলনা চলে না তোমার
ঐ রুপের সাথে। কি দারুণ,দেখতে তুমি,
তোমার পদতলে চুমে,অবনত মস্তকে
মনে মনে তাইতো বলি,
হাই ইয়ার সু...ওয়াহ্ দাহু ওয়াহ্ দাহু
লা শারীকা লাকা ইল্লাহ্ হু...আইনামা
তুয়াল্লু ফাছাম্মাা ওয়াজহুল্লাহ্ হু ওয়াহ্ দাহু।।
#দিওয়ানে #সাকী #ম্বপন #চিশতী
বৃহস্পতিবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৮
বয়েতঃ কে তুমি?

হ্যায়, এ তুমি কোথায় নিয়ে এলে আমায়!
রক্তিম আকাশ, ধুসর প্রান্তর
চারদিকে খাঁ খাঁ করছে অনুর্বর বালুচর।।
সাকী, আমায় দিয়ে ফাঁকি
তুমি চলে গেলে একাকী।।
হটাৎ তাকিয়ে দেখি হ্যায়
ইক চেহারা ই আনোয়ার দেখা যায়..
কে তুমি সে সখা,
নীরবে বসে আছো একা একা
পেছনে রক্তিম বর্ণ আকাশ, ধুসর প্রান্তর
র্নিভয়, নির্ভার, নিশ্চ ল, ভাবনাহীন,নিঃসংকোচে
কোকড়ানো চুলগুলো যেন
মেঘমালার কুন্ঞ্জ, নাচছে দুলে দুলে।।
র্নিভয়, ভাবনাহীন চোখে তাকিয়ে ছিলে হ্যায়!
দৃষ্টি যেন ছিল এক খন্ঞ্জর, মুহুর্তেই কেটে নিল অন্তর।।
ছিল না গোঁফের রেখা, না ছিল কোনো দাঁড়ি, আঁকাবাঁকা
অভুতপুর্ব এমন পুরুষ দেখিনিতো আর
বসে ছিল র্নিভাবনায়! শংকাহীন, নির্ভয় চিত্ততায়।।
#স্বপন #চিশতী
বৃহস্পতিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮
বিধাতার নিজের সৃষ্ট সৃজিত বিষয় একটাই হয়
আপেল গাছ তো পুর্বেও ছিল এখনও আছে....সেই গাছের নিচে এখন কেউ না কেউ
বসে। গাছ থেকে অাপেলও পড়ে। পুর্বেও পড়েছিল এখনও পড়ে। কিন্তু কেউ কি নিউটনের
মতো ভেবেছে...সবাই কি নিউটন হয়...না-কি সুত্রটি নিউটন আবিষ্কার করবে বলে
পুর্বে কেউ সেটা নিয়ে মাথা ঘামায়নি...মনে হয় সুত্রটি কেবল অপেক্ষায়
ছিল...নিউটন নামে একটা পাগল এই গাছের নিচে বসবে। টুপ করে আপেল পড়বে..অার
অমনি সে ভাব-গম্ভীর হয়ে ভাবতে বসবে - কেন পড়লো? ভাবুকদের জন্য উপকরণের অভাব হয় না....বরং উপাদানগুলোই তার জন্য অপেক্ষা করে...
যে শিশু সদ্য বর্ণামালায় সজ্জিত অক্ষরের সাথে পরিচিত হয়েছে, সে কেমন করে
উপলব্দি করবে... প্রকৃতির সাজানো গোছানো নীরব ভাষায় লেখা কবিতাগুলো কিংবা
সাহিত্যের উপাদানগুলোর মহিমা?
কিভাবে সে পাবে স্র্রষ্টার নিটোল প্রেমের কাব্য মহিমার রহস্য?
কচি মাথার বাচচাদের মতো বুলি অাউরানো তোতা পাখিরা পাঠ্য পুস্তক পাঠ করেই ভাবে.. অামি বেশ জ্ঞানী হয়ে গেছি।
আরে বুজদিল, বে-কুফ, যে জ্ঞানী হয়, সে নরোম মনের মানুষ হয়। তার ভেতর অহং
বোধ থাকে না...সে নিত্য নতুন ভাবে নিজেকে সাজায় প্রেমের মহিমায়। এই প্রেম
পার্থিব নয়...অপার্থিব প্রেম.....এক স্বর্গীয় অনুভুতি....যা ভাষায়
প্রকাশযোগ্য নয়...
পরম করুণাময় করুণাবশতঃ হয়েই দয়া করেই তার হাতে
পানপাত্র তুলে দেন..পান করান সেই শরাব....সেই শরাব পান করেই তারা বিখ্যাত
বিখ্যাত সব উক্তি করে বসেন।
জগতের দিকে তাকালে দেখা যায় -
জালালউদ্দিন রুমী (আঃ), ইবনুল আরাবী (রহ) ফরিদউদ্দিন আত্তার (রহ) , হাকিম
সানাই (রহ) , মোল্লা জামী (রহ) , শেখ সাদী (রহ) , হাফেজ সিরাজি (রহ),
আল্লামা ইকবাল, প্রমুখ সকলেই একপিস। দ্বিতীয়টি নেই। আল্লাহও এক পিস।
দ্বিতীয়টি নেই। কেন নেই...এখানেই রহস্য..
মোল্লারা তো বলেন...আল্লাহ
সবই পারেন। তাহলে সেই মোল্লাদের কাছেই প্রশ্নঃ যে সব মনীষীদের কথা উপরে
উল্লেখ করা হলো,তাদের আল্লাহকে বলুক তার মহান কুদরতের কারিশমা দিয়ে
দ্বিতীয়টি তৈরী করতে....নাউযুবিল্লাহ বলে একটা ফতুয়া দিয়ে বসবে....তারা
বুঝে না, মহান জাত পাকের প্রেমের পাগল গুলো অগুনতি হলেও
মাশুক কিন্তু একটাই।
মাশুক কিন্তু একটাই।
#দিওয়ান.ই.সাকী #স্বপন #চিশতী
কবি ও কবিতা এবং নারী
-আচ্ছা, আপনাকে একটা প্রশ্ন করি? করবো?
আমার দিকে তাকিয়ে মিষ্টি করে হেসে মেয়েটি বললো। তার হাসির রেখা এখনো মুখে
লেগে আছে। প্রশস্ত ললাটের ভাগে মাথার কিছুটা চুল উড়ে এসে পড়লো। মেয়েটি
অদ্ভুতভাবে সেই উড়ে যাওয়া চুলগুলো আলতো ভাবে সরিয়ে আবারো বললোঃ আপনাকে কি
একটি প্রশ্ন করতে পারি?
আমি তার দিকে তাকিয়ে বললামঃ
-করো।
-আচ্ছা আপনি কি দার্শনিক?
তার প্রশ্ন শুনে চমকে যাই। সত্যিই তো? আমি কি দার্শনিক? নাহ্...আমার কোন দর্শন নেই। যার দর্শন নেই, সে কি করে দার্শনিক হয়?
দর্শন মানে তো দেখা। কাকে দেখা? আমাকে দেখা? যেহেতেু সে বলছে আপনি কি দার্শনিক? তার মানে হলো আপনি কি দর্শন করেছেন? দৃশ্+অনট্ = দর্শন। দৃশ দ্বারা দেখা বুঝায়। যে আলো প্রতিফলিক হয় তা চোখের রোডস এবং কোনস নামক দুটি বস্তুর সমন্বয়ে রেটিনায় ধরা পরায় তারা দেখছে। অামিতো রোডস এবং কোণ্ কোনটাই না। তাহলে কে বললো-এ কথা!
আশ্চ র্য্যতো....আমি থমকে গেলাম...কি জবাব দেব? এ প্রশ্নের উত্তর তো আমার জানা নেই। তাহলে সরাসরি বলে দেই...জানি না...তাতে কি মেয়েটি কষ্ট পাবে?
আমি গম্ভীর গলায় বললামঃ
-নাহ...
এ কথাটা বলতে এতোক্ষণ লাগলো? আচ্ছা দ্বিতীয় আরেকটি প্রশ্ন করি? করবো?
আমি মেয়েটির দিকে তাকিয়ে দেখলাম, তার চোখ দুটো অপুর্ব কারুকার্য করা। চোখের কোণে কালি জমে কিছুটা কালচে হয়ে আছে...এই পড়ে তো সেই পড়ে...কিন্তু পড়ছে না। একবিন্দু পানি একটা কোণে জমে রইলো।
আমি ভালো করে তাকাতেই অবাক হয়ে গেলাম। দেখলাম সেই পানিতে সুর্যটাকে দেখা যাচ্ছে। তার চোখের মণিতেোও সুর্যটাকে দেখা যাচ্ছে। আর অন্যটিতে আমাকে দেখা যাচ্ছে। মেয়েটি আড়াঅাড়ি দাঁড়ানোতে এই অদ্ভুদ দৃশ্যের সৃষ্টি হয়েছে। আমি সেই মুহুর্তটাকে হারাতে দিলাম না। অবলীলায় তাকিয়ে রইলাম তার চোখের দিকে।
আমাকে ওভাবে তাকাতে দেখে সে লজ্জা পেল। চোখ সরিয়ে নিতেই সেই পানিটুকু টুপ করে গড়িয়ে পড়লো। পানিটুকু আড়াল করার ব্যর্থ চেষ্টায় সে রত হলো। তারপর চোখ দুটো তুলে আমার দিকে তাকিয়ে বললোঃ
-আচ্ছা,আপনি কি কবি? নাকি সাহিত্যিক?
মেয়েটির প্রশ্ন শুনে আমার এমন হাসি পেল যে নিজেকে সংযত করে রাখতে পারলাম না। সশব্দে হেসে উঠলাম। হাসির থমকে আমার দেহ বার বার কেঁপে উঠছে...নিজেকে সামলে নিয়ে বললামঃ
তোমার প্রতিচ্ছবি আমি দেখেছি শিমুল গাছের তলে
কুলু কুলু স্বরে বয়ে চলা নদীর কালো জলে।
শিশির ভেজা ঘাসের ডগায়। জমে থাকা শিশির বিন্দুতে
তোমাকে দেখেছি আমি গভীর আবেশে, গভীর আবেগে
মমতামাখা কোন দুষ্ট মেয়ের চোখের জলে।
ভোরের দোয়েল কিংবা ভাত শালিকের খুনসুটিতে
কিংবা প্রভাতের রাঙা আলোক রশ্মি তে।
এক চিলতে ভালোবাসার রঙিন ত্রিভুজের চিত্রাংকনে
রক্তের চিন্হে লেখা ভালোবাসার বন্ধনে।
হে নারী,
তুমি কেবল নারী নও স্র্রষ্টার ছায়াও হও
তোমার ম্যায়খানে তৈরাী হয় খোদার পুতুল নুরানী নুর
তুমিই অাদ্যাশক্তি, দাও শরাব করিব পান
করিবো তোমায় ভক্তি।।
#দেওয়ানে #সাকী - #স্বপন #চিশতী
আমি তার দিকে তাকিয়ে বললামঃ
-করো।
-আচ্ছা আপনি কি দার্শনিক?
তার প্রশ্ন শুনে চমকে যাই। সত্যিই তো? আমি কি দার্শনিক? নাহ্...আমার কোন দর্শন নেই। যার দর্শন নেই, সে কি করে দার্শনিক হয়?
দর্শন মানে তো দেখা। কাকে দেখা? আমাকে দেখা? যেহেতেু সে বলছে আপনি কি দার্শনিক? তার মানে হলো আপনি কি দর্শন করেছেন? দৃশ্+অনট্ = দর্শন। দৃশ দ্বারা দেখা বুঝায়। যে আলো প্রতিফলিক হয় তা চোখের রোডস এবং কোনস নামক দুটি বস্তুর সমন্বয়ে রেটিনায় ধরা পরায় তারা দেখছে। অামিতো রোডস এবং কোণ্ কোনটাই না। তাহলে কে বললো-এ কথা!
আশ্চ র্য্যতো....আমি থমকে গেলাম...কি জবাব দেব? এ প্রশ্নের উত্তর তো আমার জানা নেই। তাহলে সরাসরি বলে দেই...জানি না...তাতে কি মেয়েটি কষ্ট পাবে?
আমি গম্ভীর গলায় বললামঃ
-নাহ...
এ কথাটা বলতে এতোক্ষণ লাগলো? আচ্ছা দ্বিতীয় আরেকটি প্রশ্ন করি? করবো?
আমি মেয়েটির দিকে তাকিয়ে দেখলাম, তার চোখ দুটো অপুর্ব কারুকার্য করা। চোখের কোণে কালি জমে কিছুটা কালচে হয়ে আছে...এই পড়ে তো সেই পড়ে...কিন্তু পড়ছে না। একবিন্দু পানি একটা কোণে জমে রইলো।
আমি ভালো করে তাকাতেই অবাক হয়ে গেলাম। দেখলাম সেই পানিতে সুর্যটাকে দেখা যাচ্ছে। তার চোখের মণিতেোও সুর্যটাকে দেখা যাচ্ছে। আর অন্যটিতে আমাকে দেখা যাচ্ছে। মেয়েটি আড়াঅাড়ি দাঁড়ানোতে এই অদ্ভুদ দৃশ্যের সৃষ্টি হয়েছে। আমি সেই মুহুর্তটাকে হারাতে দিলাম না। অবলীলায় তাকিয়ে রইলাম তার চোখের দিকে।
আমাকে ওভাবে তাকাতে দেখে সে লজ্জা পেল। চোখ সরিয়ে নিতেই সেই পানিটুকু টুপ করে গড়িয়ে পড়লো। পানিটুকু আড়াল করার ব্যর্থ চেষ্টায় সে রত হলো। তারপর চোখ দুটো তুলে আমার দিকে তাকিয়ে বললোঃ
-আচ্ছা,আপনি কি কবি? নাকি সাহিত্যিক?
মেয়েটির প্রশ্ন শুনে আমার এমন হাসি পেল যে নিজেকে সংযত করে রাখতে পারলাম না। সশব্দে হেসে উঠলাম। হাসির থমকে আমার দেহ বার বার কেঁপে উঠছে...নিজেকে সামলে নিয়ে বললামঃ
তোমার প্রতিচ্ছবি আমি দেখেছি শিমুল গাছের তলে
কুলু কুলু স্বরে বয়ে চলা নদীর কালো জলে।
শিশির ভেজা ঘাসের ডগায়। জমে থাকা শিশির বিন্দুতে
তোমাকে দেখেছি আমি গভীর আবেশে, গভীর আবেগে
মমতামাখা কোন দুষ্ট মেয়ের চোখের জলে।
ভোরের দোয়েল কিংবা ভাত শালিকের খুনসুটিতে
কিংবা প্রভাতের রাঙা আলোক রশ্মি তে।
এক চিলতে ভালোবাসার রঙিন ত্রিভুজের চিত্রাংকনে
রক্তের চিন্হে লেখা ভালোবাসার বন্ধনে।
হে নারী,
তুমি কেবল নারী নও স্র্রষ্টার ছায়াও হও
তোমার ম্যায়খানে তৈরাী হয় খোদার পুতুল নুরানী নুর
তুমিই অাদ্যাশক্তি, দাও শরাব করিব পান
করিবো তোমায় ভক্তি।।
#দেওয়ানে #সাকী - #স্বপন #চিশতী
বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮
সোমবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮
শনিবার, ২৫ আগস্ট, ২০১৮
বৃহস্পতিবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৮
বয়েতঃঅবগুন্ঠন
নুরানী চাঁদের আবছা আলোয়
মুখ ঢেকেছিলে তুমি।
হে প্রেয়সী,
অবগুন্ঠন খুলে ফেলো না এখনি!
পেরেশানিতে পড়ে গেলাম হ্যায়!
কি দুদর্শা লাগলো মোর গায়
কিভাবে এ ব্যথা সই?
তর সইছিলো না আর যেন শরাব পিয়াসী হই।
আহা! কি পিয়ালে তুমি, যেন শরাবান তাহুরা
মত্ততায় একত্ত্ব যেন ইশকের হৃদ্যতা।
হ্যায়, কি রুপ দেখালে তুমি, চাঁদ যেন পেল লজ্জা!
প্রেমের ভুবনে একাকার এ যেন
তোমার আমার ফুলশয্যা।।
সোমবার, ১৩ আগস্ট, ২০১৮
বয়েতঃ ইয়াদে বাবা চেরাগ.ই.চিশতী
এ্যায় চেরাগ.ই. চিশতী,
কিবলাহ্ ও কা'বা
খোদা কি কসম! মেরা জিন্দেগীতো গুজার গেয়ে হ্যায়!
তুঝে হি দেখতে দেখতে...ক্যায়াছে ক্যায়া হো গেয়ে হ্যায় হাম
তুঝে হি দেখতে দেখতে....আগার লমবি জুদায়ি হোগেয়ি তো
গজব হো যায়ে তুঝে না দেখতে দেখতে...
তোমার ঐ রুপের কথা কি বলবো আর
জবান তো চুপ...দিল বেকারার...
হ্যায়, এ তুফান কোথ থেকে এলো...কেড়ে নিল মন
জিব্রাইল নিল বিদায়,দিয়ে গেল ধ্যান।।
বৃহস্পতিবার, ২৬ জুলাই, ২০১৮
বয়েতঃ আমি আর সাকী
আমি আর সাকী তোমাদের দিয়ে ফাঁকি
চলে যাবো দুর, বহুদুর অজানায়...
শরাব পিয়ে বেহুঁশ হয়ে মাস্তিতে
ভেসে বেড়াবো জ্যোস্নায়।।
সোমবার, ২৩ জুলাই, ২০১৮
সোমবার, ৯ জুলাই, ২০১৮
শনিবার, ৭ জুলাই, ২০১৮
শুক্রবার, ২৯ জুন, ২০১৮
বয়েতঃ কবর
বৃহস্পতিবার, ২৮ জুন, ২০১৮
রবিবার, ২৪ জুন, ২০১৮
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যসমূহ (Atom)






































