-আচ্ছা, আপনাকে একটা প্রশ্ন করি? করবো?
আমার দিকে তাকিয়ে মিষ্টি করে হেসে মেয়েটি বললো। তার হাসির রেখা এখনো মুখে
লেগে আছে। প্রশস্ত ললাটের ভাগে মাথার কিছুটা চুল উড়ে এসে পড়লো। মেয়েটি
অদ্ভুতভাবে সেই উড়ে যাওয়া চুলগুলো আলতো ভাবে সরিয়ে আবারো বললোঃ আপনাকে কি
একটি প্রশ্ন করতে পারি?
আমি তার দিকে তাকিয়ে বললামঃ
-করো।
-আচ্ছা আপনি কি দার্শনিক?
তার প্রশ্ন শুনে চমকে যাই। সত্যিই তো? আমি কি দার্শনিক? নাহ্...আমার কোন দর্শন নেই। যার দর্শন নেই, সে কি করে দার্শনিক হয়?
দর্শন মানে তো দেখা। কাকে দেখা? আমাকে দেখা? যেহেতেু সে বলছে আপনি কি দার্শনিক? তার মানে হলো আপনি কি দর্শন করেছেন? দৃশ্+অনট্ = দর্শন। দৃশ দ্বারা দেখা বুঝায়। যে আলো প্রতিফলিক হয় তা চোখের রোডস এবং কোনস নামক দুটি বস্তুর সমন্বয়ে রেটিনায় ধরা পরায় তারা দেখছে। অামিতো রোডস এবং কোণ্ কোনটাই না। তাহলে কে বললো-এ কথা!
আশ্চ র্য্যতো....আমি থমকে গেলাম...কি জবাব দেব? এ প্রশ্নের উত্তর তো আমার জানা নেই। তাহলে সরাসরি বলে দেই...জানি না...তাতে কি মেয়েটি কষ্ট পাবে?
আমি গম্ভীর গলায় বললামঃ
-নাহ...
এ কথাটা বলতে এতোক্ষণ লাগলো? আচ্ছা দ্বিতীয় আরেকটি প্রশ্ন করি? করবো?
আমি মেয়েটির দিকে তাকিয়ে দেখলাম, তার চোখ দুটো অপুর্ব কারুকার্য করা। চোখের কোণে কালি জমে কিছুটা কালচে হয়ে আছে...এই পড়ে তো সেই পড়ে...কিন্তু পড়ছে না। একবিন্দু পানি একটা কোণে জমে রইলো।
আমি ভালো করে তাকাতেই অবাক হয়ে গেলাম। দেখলাম সেই পানিতে সুর্যটাকে দেখা যাচ্ছে। তার চোখের মণিতেোও সুর্যটাকে দেখা যাচ্ছে। আর অন্যটিতে আমাকে দেখা যাচ্ছে। মেয়েটি আড়াঅাড়ি দাঁড়ানোতে এই অদ্ভুদ দৃশ্যের সৃষ্টি হয়েছে। আমি সেই মুহুর্তটাকে হারাতে দিলাম না। অবলীলায় তাকিয়ে রইলাম তার চোখের দিকে।
আমাকে ওভাবে তাকাতে দেখে সে লজ্জা পেল। চোখ সরিয়ে নিতেই সেই পানিটুকু টুপ করে গড়িয়ে পড়লো। পানিটুকু আড়াল করার ব্যর্থ চেষ্টায় সে রত হলো। তারপর চোখ দুটো তুলে আমার দিকে তাকিয়ে বললোঃ
-আচ্ছা,আপনি কি কবি? নাকি সাহিত্যিক?
মেয়েটির প্রশ্ন শুনে আমার এমন হাসি পেল যে নিজেকে সংযত করে রাখতে পারলাম না। সশব্দে হেসে উঠলাম। হাসির থমকে আমার দেহ বার বার কেঁপে উঠছে...নিজেকে সামলে নিয়ে বললামঃ
তোমার প্রতিচ্ছবি আমি দেখেছি শিমুল গাছের তলে
কুলু কুলু স্বরে বয়ে চলা নদীর কালো জলে।
শিশির ভেজা ঘাসের ডগায়। জমে থাকা শিশির বিন্দুতে
তোমাকে দেখেছি আমি গভীর আবেশে, গভীর আবেগে
মমতামাখা কোন দুষ্ট মেয়ের চোখের জলে।
ভোরের দোয়েল কিংবা ভাত শালিকের খুনসুটিতে
কিংবা প্রভাতের রাঙা আলোক রশ্মি তে।
এক চিলতে ভালোবাসার রঙিন ত্রিভুজের চিত্রাংকনে
রক্তের চিন্হে লেখা ভালোবাসার বন্ধনে।
হে নারী,
তুমি কেবল নারী নও স্র্রষ্টার ছায়াও হও
তোমার ম্যায়খানে তৈরাী হয় খোদার পুতুল নুরানী নুর
তুমিই অাদ্যাশক্তি, দাও শরাব করিব পান
করিবো তোমায় ভক্তি।।
#দেওয়ানে #সাকী - #স্বপন #চিশতী
আমি তার দিকে তাকিয়ে বললামঃ
-করো।
-আচ্ছা আপনি কি দার্শনিক?
তার প্রশ্ন শুনে চমকে যাই। সত্যিই তো? আমি কি দার্শনিক? নাহ্...আমার কোন দর্শন নেই। যার দর্শন নেই, সে কি করে দার্শনিক হয়?
দর্শন মানে তো দেখা। কাকে দেখা? আমাকে দেখা? যেহেতেু সে বলছে আপনি কি দার্শনিক? তার মানে হলো আপনি কি দর্শন করেছেন? দৃশ্+অনট্ = দর্শন। দৃশ দ্বারা দেখা বুঝায়। যে আলো প্রতিফলিক হয় তা চোখের রোডস এবং কোনস নামক দুটি বস্তুর সমন্বয়ে রেটিনায় ধরা পরায় তারা দেখছে। অামিতো রোডস এবং কোণ্ কোনটাই না। তাহলে কে বললো-এ কথা!
আশ্চ র্য্যতো....আমি থমকে গেলাম...কি জবাব দেব? এ প্রশ্নের উত্তর তো আমার জানা নেই। তাহলে সরাসরি বলে দেই...জানি না...তাতে কি মেয়েটি কষ্ট পাবে?
আমি গম্ভীর গলায় বললামঃ
-নাহ...
এ কথাটা বলতে এতোক্ষণ লাগলো? আচ্ছা দ্বিতীয় আরেকটি প্রশ্ন করি? করবো?
আমি মেয়েটির দিকে তাকিয়ে দেখলাম, তার চোখ দুটো অপুর্ব কারুকার্য করা। চোখের কোণে কালি জমে কিছুটা কালচে হয়ে আছে...এই পড়ে তো সেই পড়ে...কিন্তু পড়ছে না। একবিন্দু পানি একটা কোণে জমে রইলো।
আমি ভালো করে তাকাতেই অবাক হয়ে গেলাম। দেখলাম সেই পানিতে সুর্যটাকে দেখা যাচ্ছে। তার চোখের মণিতেোও সুর্যটাকে দেখা যাচ্ছে। আর অন্যটিতে আমাকে দেখা যাচ্ছে। মেয়েটি আড়াঅাড়ি দাঁড়ানোতে এই অদ্ভুদ দৃশ্যের সৃষ্টি হয়েছে। আমি সেই মুহুর্তটাকে হারাতে দিলাম না। অবলীলায় তাকিয়ে রইলাম তার চোখের দিকে।
আমাকে ওভাবে তাকাতে দেখে সে লজ্জা পেল। চোখ সরিয়ে নিতেই সেই পানিটুকু টুপ করে গড়িয়ে পড়লো। পানিটুকু আড়াল করার ব্যর্থ চেষ্টায় সে রত হলো। তারপর চোখ দুটো তুলে আমার দিকে তাকিয়ে বললোঃ
-আচ্ছা,আপনি কি কবি? নাকি সাহিত্যিক?
মেয়েটির প্রশ্ন শুনে আমার এমন হাসি পেল যে নিজেকে সংযত করে রাখতে পারলাম না। সশব্দে হেসে উঠলাম। হাসির থমকে আমার দেহ বার বার কেঁপে উঠছে...নিজেকে সামলে নিয়ে বললামঃ
তোমার প্রতিচ্ছবি আমি দেখেছি শিমুল গাছের তলে
কুলু কুলু স্বরে বয়ে চলা নদীর কালো জলে।
শিশির ভেজা ঘাসের ডগায়। জমে থাকা শিশির বিন্দুতে
তোমাকে দেখেছি আমি গভীর আবেশে, গভীর আবেগে
মমতামাখা কোন দুষ্ট মেয়ের চোখের জলে।
ভোরের দোয়েল কিংবা ভাত শালিকের খুনসুটিতে
কিংবা প্রভাতের রাঙা আলোক রশ্মি তে।
এক চিলতে ভালোবাসার রঙিন ত্রিভুজের চিত্রাংকনে
রক্তের চিন্হে লেখা ভালোবাসার বন্ধনে।
হে নারী,
তুমি কেবল নারী নও স্র্রষ্টার ছায়াও হও
তোমার ম্যায়খানে তৈরাী হয় খোদার পুতুল নুরানী নুর
তুমিই অাদ্যাশক্তি, দাও শরাব করিব পান
করিবো তোমায় ভক্তি।।
#দেওয়ানে #সাকী - #স্বপন #চিশতী
