শনিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

বয়েতঃ স্মৃতি-স্বরণ














এই মন এখন রাঙ্গে না আগের মতন
সাজে না কোন সাজ যখন তখন
ভুলে যেতে চায় সে সমস্ত সংগোপন
সাকী, তুমি নেই তো আগের মতন।।


বয়েতঃ স্বরণ















সাকী, প্রেম প্রেম খেলায় মেতে ছিল মন
তুমি আমায় ডেকে ছিলে যখন তখন
দিবা-রাত্রি নিশি দিন ডেকেছি তোমায়
মনে কি পড়ে সাকী, এখনো অামায়?

সেদিন তুমি ঘুমে ছিলে অচেতন
অঝোর ধারায় বৃষ্টি তখন করেছিলো বর্ষণ।
ভিজে ভিজে তোমার দেখেছি ঐ চাঁদ বদন
আঁখির পলকে ঝলকে ঝলকে দেখেছি তেমায়
কতো ডেকেছে কেঁদে কেঁদে এই মন
কি নিষ্ঠুর তুমি? দাও নি কো সাড়া তখন।।


#দেওয়ানে #সাকী - #স্বপন #চিশতী

আসরারুল হকঃ নুরুন আসরার-একটি রহস্যের নাম






















--------------------------------------------------
প্রথম অংশ-আসরারুল হক। ব্যাখ্যা এবং বিশ্লেষণ
--------------------------------------------------
আসরারুল হক শব্দটি দুটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত। আসরার এবং হক
আসরার অর্থ রহস্য । ইংরেজী Noun. যার অর্থঃ Mystery, secret, spirit, fun, merriment, pleasantly, joke, banter আর বাংলা রহস্য শব্দটি হচ্ছে বিশ্যেষ পদ। অর্থঃ গূঢ়, তাৎপর্য, মর্ম, দুর্বোধ্য, গুপ্ত কথা ইত্যাদি। বিশেষণ পদ হচ্ছেঃ গোপনীয়, রহস্যকথা।
হক শব্দটি বিশেষণ পদঃ সত্য, যথার্থ, ন্যায়। বিশেষ্য পদঃ ন্যায্য দাবী বা স্বত্ব বা প্রাপ্য।

প্রকৃত পক্ষে রহস্য কথাটি একটি পর্দার আড়ালে ঘেরা। সেই পর্দার ভেতর ঢুকতে না পারলে এর সর্ম্পকে কিছুই জানা যায় না। অর্থাৎ অজানাই থেকে যায়।



বিষয়টি এমনঃ হযরত খাজা শাহ্ পীরের ভাষায়-

গুপ্ত কথা জানতে যদি চাহো তুমি ওরে মন
একই রঙের লীলাখেলা নহে সেথা দুইজন।

কাজেই সত্য বা প্রকৃত রহস্যটি জানাই হচ্ছেঃ আসরারুল হক।

দ্বিতীয় অংশঃ নুরুন আসরার। ব্যাখ্যা এবং বিশ্লেষণ
-------------------------------------------------
নুরুন আসরার - দুটি শব্দ নুর এবং আসরার দ্বারা গঠিত। নুর শব্দটি বিশেষ্য পদ।অর্থঃ আলো, জ্যোতি। ইংরেজী Noun. যার অর্থ light, luster, splendor।
আসরার অর্থ রহস্য। ইংরেজী Noun. যার অর্থঃ Mystery, secret, spirit, fun, merriment, pleasantly, joke, banter আর বাংলা রহস্য শব্দটি হচ্ছে বিশ্যেষ পদ। অর্থঃ গূঢ়, তাৎপর্য, মর্ম, দুর্বোধ্য, গুপ্ত কথা ইত্যাদি। বিশেষণ পদ হচ্ছেঃ গোপনীয়, রহস্যকথা।

নুরুন আসরার হচ্ছেঃ নুরের রহস্য কথা বা গোপনীয় কথা।

প্রশ্ন হলোঃ জানবো কিভাবে? উত্তর একটাই। আর সেটা হলোঃ তার দাসত্ব করা। যেদিন থেকে দাসত্বের খাতায় নাম উঠানো হয়েছে, সেদিন থেকেই এই দাসত্ববৃত্তি থেকে মু্ক্তি নেই। যদি না কেউ স্ব-ইচ্ছায় সেখান থেকে সটকে না পড়ে।
কারা সটকে পড়বে? সটকে পড়বে তারাই যারা কু-জন। অর্থাৎ

হযরত খাজা শাহ্ পীর চিশতী (রহঃ) এর ভাষায়ঃ

চক্ষে ধুলি দিয়া পালায় যদি কেহ হয় কু-জন।

তাই,
সাবধান হইয়ে থেকো, অসাবধানে ছারখার।

কাজেই সাবধানে পথ চলাই বুদ্ধিমানের কাজ। তরীকতের পথে চলতে হলে সাবধানেই পা ফেলতে হয় এবং আদব কায়দার সাথে চলতে হয়। মনে রাখা দরকার, তরীকতের ইমামগণ যে পথ অনুসরণ করেছেন, সেই পথের পথিক হয়ে চলাই আহলে সুলুকদের প্রধান এবং একান্ত কর্তব্য।