সোমবার, ৭ মে, ২০১৮

বয়েতঃ মিলন













কি এক মধুর আবেশ ছিল যে আজ
রাত্রি দ্বিপ্রহর কেটে গেল প্রতীক্ষায় সলাজ
প্রিয়া যে এসেছিল আজ
সেজেছিল সলজ্জ বধুর সাজ।।

বয়েতঃ আক্ষেপ













এমনতো কথা ছিল না সাকী
তুমি দিবে ফাঁকি, ম্যায়খানাতে বই
শরাব ও সুরা দিয়েছিলে তুমি
শরাব পিয়ে মাস্তিতে বেঁহুশ হয়ে রই।।

বয়েতঃ দৃষ্টি




















কে তুমি? ওগো প্রেয়সী
এমন করে তাকিও না তুমি?
তোমার ঐ বাঁকা চাহনীতে
খুন হয়ে যাবো যে আমি।।

বয়েতঃ দৃষ্টি
















কি যাদু আছে তোমার ঐ চাহনিতে হায়
আমি যে মরে গেছি ঐ প্রেমের মরায়।
এমন চাহনি যেন কোনদিন দেখিনি আর
বন্ধু রে, কে বুঝে তোমার প্রেমের কারবার।।

বয়েতঃ ফিকির
















লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বিশ্বাসে মিলায় আল্লাহ
সত্যি কি তাই? তাহলে কি রইল দাম তোমার
মুহাম্মাদুর রাসুল আল্লাহর? মান হাজার রাজুলু বলে
কি উত্তর দিবে তুমি বরযোখে? ভেবে দেখেছো কি একবার..

বয়েতঃ দৃষ্টিপাত














তোমার রুপের দমকে ছমকে চমকে উঠি সাকী,
এমনি রুপ তোমার, রাখি দুই নয়ন ঢাকি।।
মুদিতে দুই নয়ন,তবু যায় নাকো নিভে আলো
আহ্!এমনই রুপ তোমার যেন দেখতে লাগে ভালো।।

বয়েতঃ অনাদৃষ্টি












অসীম ধরণির তরে তুমি সীমার মাঝে বন্দী,
তবু তুমি থাকো আমার মাঝে,করি এ সন্ধি।।
ওয়াফি আনফুসিকুম আফআ'লা তুবছিরুন
বসিরুনে দিয়েছো তুমি আবছারুনে গিসাওয়াতুন।।

বয়েতঃ স্পর্শ




















তোমার পরশ যেন কোন কালে
দিয়েছিল উত্তাপ এ দেহে...
করেছিল রৌশন,
করেছিল এ জমির
তুমিতো শানে রৌশন জমির।।

প্রতিটি রন্ধ্রে রন্ধ্রে তোমার অনুভবতা
করে যেন এ দেহ,
মূল্য কি তা,
জানে না তো কেহ
তপ্তপ্রাণে বইছিল মৃদু সমীর..
তুমিতো শানে রৌশন জমির।।

বয়েতঃ কোন্ সে জন?




















আন্দোলিত এ দেহ যেন করেছে এ পণ
দেখবে স্বপন রাখবে তোমার ধন...
গঞ্জে মুখফিতে ছিলে তুমি কোন্ জন
ধরায় এসে গড়ালে তুমি, তুমিই আপনজন।।

বয়েতঃ অনুভবতা




















কি এক অদ্ভুত আবরণে ঢেকে দিয়েছো তুমি
তোমার চরণ দুটি বক্ষে ধরি বারে বারে তা চুমি।।
তোমার বারতা যেন বার বার শোনায় সেই গান..
মন মোর মাতে প্রেম উল্লাসে এ যেন জীবনের আহ্বান।।

বয়েতঃ আক্ষেপ




















তোমার প্রতীক্ষায় থেকে আজ কেটে গেল দীর্ঘক্ষণ
আসবে বলে বরণমালা রেখেছি গেঁথে সযতন।
সময়ের তালে তালে সমীরণ যেন তুলেছিল কিছু ঢেউ
তুমি এসেছিলে চুপি চুপি জানলো না তো কেউ।।

বয়েতঃ স্বরণ




















তোমার ঐ গহীন কালো চোখের কোণে দীপ্তি যে হাসে
প্রদীপ্ত সেই দীপ্তির মাঝে আমার স্বপ্ন যে ভাসে..
জানি এ জীবনে হবে নাকো কোন স্বপ্ন পুরণ
তবুও কেন যেন ভর করে হৃদয়ে তোমার স্বরণ।।

বয়েতঃ বিচ্ছিন্নতা














দুঃখে কষ্টে বুক ফেটে হলো চৌচির, হলো এ ভুমি
নমি, তোমাকেই নমি। বারে বারে তোমাকেই নমি।।
তীক্ষ্ম খুরধার ছোড়ার কারবার তোমার, চোখের দিপ্তী
যেন মেখে রেখেছিলে আমারি জন্যে তোমার পরিতৃপ্তি।।

কি নেশা পেয়েছিল যে আজ, শরাব ও সাকী ছিল
ম্যায়খানে বই, সুখ-দুঃখের নানান কথা তারে আমি কই
হৃদয়ে উঠেছিল কিছু ঢেউ, সুসান নীরবতায়..
হারিয়ে গেল কেউ....তাকিয়ে দেখি
পান পাত্র ছিল, শরাব ছিল কিছু বাকী ....
সাকী, তুমি চলে গেলে...দিয়ে আমায় ফাঁকি।।

বয়েতঃ অনুরনন




















কি এক অদ্ভুত শিহরণ জাগছে মনে
চারিদিকে নিশ্চ ল! নিশ্চু প..চুপিসারে
নির্জন মম মন গগণে
তথায় নাচছে এক অদ্ভুত শিহরণে
তা তা থৈ থৈ তা তা থৈ থৈ.......

বয়েতঃ অনুরনন




















মম অন্তরে তব মন্তরে
নাচে ভৈরবী তালে তালে।
তা তা থৈ থৈ...তা তা থৈ থৈ
মম সংগে তব রঙ্গে গাইছে গীতি শুন
ওয়া ফি আনফুসিকুম আফআলা তুবছিরুন।