--------------------------------
খায়রুল মজলিশ-দ্বিতীয় পর্ব
স্থানঃ বারাহিগুণী দরবার শরীফ
--------------------------------
হযরত খাজা চেরাগী চিশতী (রহঃ) এর বেছালে হক প্রাপ্তি উপলক্ষ্যে প্রথম
উরশ শরীফে লক্ষাধিক ভক্তপ্রাণ আশেকানে চিশত উপস্থিত হয়েছিলেন। প্রধান বক্তা
হিসেবে উপস্থিত ছিলেন করেরহাটের মাওলানা সাহেব। যার নামঃ হযরত মাওলানা
শাহ্ ফজলুল হক চিশতী। তিনি করেরহাটের মাওলানা সাহেব নামেই সুখ্যাতি অর্জন
করেছেন এবং লোকজন তাঁকে সে নামেই সমধিক চেনে।
তিনি চিশতী উদ্যান শরীফ থেকে এতো সু্ন্দর ও মনোমুগ্ধকর বক্তৃতা করছিলেন
যে, উপস্থিত আশেকানে চিশতগণ একাগ্রচিত্তে তা শ্রবণ করছিলেন। প্রসংগক্রমে
তিনি বললেনঃ সুফী সদরউদ্দিন চিশতী ভাই সাহেব, একদিন আমাকে ডেকে বললেনঃ
-ভাই সাহেব, বাবাজান কিবলা আমাকে দিয়ে কোরআন দর্শন লিখিয়েছেন। অথচ 'চিশতী উদ্দ্যান' তাঁর কালাম শরীফের একটা ব্যাখ্যাও আমাকে দিয়ে লিখাননি। আর আপনি কি অবলীলাক্রমে তার ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ দিয়ে যাচ্ছেন।
শুনে তিনি বললেনঃ
-ভাই সাহেব, বাবা শাহ্পীর চিশতী (রহঃ) বলেছেনঃ - আরে মিয়া, তুমিতো দেখছি ভাতের হাঁড়ির ঢাকনাটা উদলা করে দিচ্ছো..অর্থাৎ আমার সব রহস্য ব্যক্ত করে দিচ্ছো। ভাই সাহেব, তাঁর অনুমতিক্রমেই আমি এই ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ দিচ্ছি। এটা আমার মন গড়া কথা নয়। তিনি আমাকে অনুমতি দিয়েছেন বলেই আমি বলতে পারছি।
সুধী আশেকানে চিশতগণ,
এ ব্যাপারে আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। হযরত খাজা শাহ্ পীর চিশতী (রহঃ) এর সারা জীবনের ধ্যান সাধনার ফসল হলো চিশতী উদ্যান। মুলতঃ এটি গজলের বই হলেও এর মধ্যে রয়েছেঃ অফুরন্ত জ্ঞানভান্ডারের রহস্যাবলী। এর মধ্যে রয়েছে হযরত খাজা শাহ্ পীর চিশতী (রহঃ) - এর ঐশ্বরিক প্রেমগাঁথা এবং খাজা গরীব নওয়াজ (রাঃ) এর শানে রচিত কালামে পাক। যা পারস্য দেশের আদলে রচিত হলেও বাংলাতে এমন উর্দ্দু, ফার্সী ভাষার সংমিশ্রণে লিখিত গজলের বহিঃপ্রকাশ কদাচিৎ দেখা যায় না। এতে যেমন রয়েছে মাওলানা রুমীর দর্শন তেমনি রয়েছে ইবনুল আরাবীর দর্শন।
তাই, আমি আমাদের দরবারের অনুসারীদের সনিবর্দ্ধ অনুরোধ করবোঃ আপনারা চিশতী উদ্যান নিয়ে কোন প্রকার পোষ্ট দিতে যাবেন না। অথবা ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করতে যাবেন না। এটা নেহায়েত অন্যায় এবং গর্হিত কাজ। যদি অাপনাকে অনুমতি দেয়, তাহলে লিখুন। কোন আপত্তি করবো না....কিন্তু আপনার ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ কখনোই চিশতী উদ্যানের নামে প্রকাশ করতে যাবেন না। এটা নেহায়েত বেয়াদবী বৈ অন্য কিছু নয়। ওয়ামা আলাইনা ইলাল বালাগ।
যদি ভুল বলে থাকি,তাহলে ক্ষমা করবেন। এমনটাই আশা করবো।
তেরে ইশক্ নে মুঝে এ্যায়ছা মাস্তি কর দিয়া
হার পাল হার ধরকন মে তুহি তু দেখা দিয়া।।
#স্বপন #চিশতী
-ভাই সাহেব, বাবাজান কিবলা আমাকে দিয়ে কোরআন দর্শন লিখিয়েছেন। অথচ 'চিশতী উদ্দ্যান' তাঁর কালাম শরীফের একটা ব্যাখ্যাও আমাকে দিয়ে লিখাননি। আর আপনি কি অবলীলাক্রমে তার ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ দিয়ে যাচ্ছেন।
শুনে তিনি বললেনঃ
-ভাই সাহেব, বাবা শাহ্পীর চিশতী (রহঃ) বলেছেনঃ - আরে মিয়া, তুমিতো দেখছি ভাতের হাঁড়ির ঢাকনাটা উদলা করে দিচ্ছো..অর্থাৎ আমার সব রহস্য ব্যক্ত করে দিচ্ছো। ভাই সাহেব, তাঁর অনুমতিক্রমেই আমি এই ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ দিচ্ছি। এটা আমার মন গড়া কথা নয়। তিনি আমাকে অনুমতি দিয়েছেন বলেই আমি বলতে পারছি।
সুধী আশেকানে চিশতগণ,
এ ব্যাপারে আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। হযরত খাজা শাহ্ পীর চিশতী (রহঃ) এর সারা জীবনের ধ্যান সাধনার ফসল হলো চিশতী উদ্যান। মুলতঃ এটি গজলের বই হলেও এর মধ্যে রয়েছেঃ অফুরন্ত জ্ঞানভান্ডারের রহস্যাবলী। এর মধ্যে রয়েছে হযরত খাজা শাহ্ পীর চিশতী (রহঃ) - এর ঐশ্বরিক প্রেমগাঁথা এবং খাজা গরীব নওয়াজ (রাঃ) এর শানে রচিত কালামে পাক। যা পারস্য দেশের আদলে রচিত হলেও বাংলাতে এমন উর্দ্দু, ফার্সী ভাষার সংমিশ্রণে লিখিত গজলের বহিঃপ্রকাশ কদাচিৎ দেখা যায় না। এতে যেমন রয়েছে মাওলানা রুমীর দর্শন তেমনি রয়েছে ইবনুল আরাবীর দর্শন।
তাই, আমি আমাদের দরবারের অনুসারীদের সনিবর্দ্ধ অনুরোধ করবোঃ আপনারা চিশতী উদ্যান নিয়ে কোন প্রকার পোষ্ট দিতে যাবেন না। অথবা ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করতে যাবেন না। এটা নেহায়েত অন্যায় এবং গর্হিত কাজ। যদি অাপনাকে অনুমতি দেয়, তাহলে লিখুন। কোন আপত্তি করবো না....কিন্তু আপনার ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ কখনোই চিশতী উদ্যানের নামে প্রকাশ করতে যাবেন না। এটা নেহায়েত বেয়াদবী বৈ অন্য কিছু নয়। ওয়ামা আলাইনা ইলাল বালাগ।
যদি ভুল বলে থাকি,তাহলে ক্ষমা করবেন। এমনটাই আশা করবো।
তেরে ইশক্ নে মুঝে এ্যায়ছা মাস্তি কর দিয়া
হার পাল হার ধরকন মে তুহি তু দেখা দিয়া।।
#স্বপন #চিশতী
