শুক্রবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
মঙ্গলবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
মহিউদ্দীন ইবনুল আরবী এর কালাম এ পাকঃ-
মান্ আঁ নুরমকে আন্দব লা মুকাম মৌজুদ বুদ্ ছেতাম্
বা শরাক খুদস্ খুদ্ শাহেদ মশহুদ্ বুদ্ ছেদাদ্।।
না আজ আলম্ বিয়ানী দদ্ না আদম নেশানী দাছ্ত্।
কে আজ নজরায়ে হোছ্ নে খোদম্ খোশনোদ্ বুদ্ ছেতম
জে বাছরে দফে শিরক দফে ওয়াছাম হাছতি গায়রে।
বশেখলে আম্বিয়া ও আওলিয়া মৌজুদ বুদ্ ছেতম।
লেবাছে বুল পুশিদা মছজুদ মালাক গাশতম্।।
বতাছ বির মুহাম্মদ হামেদা ও মাহমুদ বুদ্ ছেতম্।
গাহে ইদশ ওয়া গাহে শিছ গাহে নুহ ওয়া গাহে ইউনুছ।
গাহে ইউসুফ গাহে ইয়াকুব গাহে হুদ বুদ ছেতাম্।
বরায়ে এক কাছা এমরোজ নক্দ ওয়াক্ ত শান গাশতম।।
জে বাছরে দিগারা রোজ " জাজা মাওদ বুদ্ ছেতম্।
নিয়াজ! আন্দর হাকিৎ লাইউজাল ওয়ালাম ইয়াজাল হাছতম।
মগর বা ই তাআবছ নিছত ওয়ানা বুদ্-বুদ্ ছেতম্।।
--------------
বাংলা অনুবাদঃ-
--------------
আমিই ঐ নূর যাহা লা মোকামে বিদ্যমান ছিলাম।
নিজের আলোকে তখন আমি নিজেই দর্শক ছিলাম।
তখন কোন জগৎ ছিলনা। এই আদমের কোন নাম - নিশানাও ছিল না।
আমিই শুধু নিজের রূপে নিজে বিভোর হইয়াছিলাম।
শিরিক ধবংস করিয়া তৌহীদ প্রতিষ্ঠার জন্য আমি
আম্বিয়া ও আওলিয়ার ছুরতে নিজকে প্রকাশ করি।
আদমের পোষাকে আবৃত ও লুক্কায়িত হইয়া
আমিই ফেরেস্তাগণের সেজদা গ্রহণ করিয়াছিলাম এবং
মুহাম্ম দ(দঃ) এর ছুরতে আমি নিজেই প্রশংসাকারী ও প্রশংসিত হইয়াছি।
আমি বিভিন্ন সময়ে কখনও শিশ কখনও নুহ কখনও ইউনুস,
কখনও ইউসূফ, কখনও ইয়াকুব আবার কখনও হুদরূপে প্রকাশিত হইয়াছি।
কাহারও জন্য কখনও আজিকার প্রত্যক্ষ অনুভূতি
আবার কাহারও নিকট আমি রোজ হাসরে মৌজুদ।
হে নিয়াজ, প্রকৃত পক্ষে আমি অমর" অনন্ত" অক্ষয়" ও অপরিবর্তনশীল।
কিন্তু সৃজন লীলায় লোক চক্ষুর নিকট আমি কতবার মিথ্যা মৃত্যু বরণ করিয়াছি এবং নিজেকে জগতের পরিবর্তনশীলতার মধ্যে আনিয়াছি।
আমার মর্ম কে বুঝিবে?
বাণী••~ মহিউদ্দীন ইবনুল আরবী
কে আজ নজরায়ে হোছ্ নে খোদম্ খোশনোদ্ বুদ্ ছেতম
জে বাছরে দফে শিরক দফে ওয়াছাম হাছতি গায়রে।
বশেখলে আম্বিয়া ও আওলিয়া মৌজুদ বুদ্ ছেতম।
লেবাছে বুল পুশিদা মছজুদ মালাক গাশতম্।।
বতাছ বির মুহাম্মদ হামেদা ও মাহমুদ বুদ্ ছেতম্।
গাহে ইদশ ওয়া গাহে শিছ গাহে নুহ ওয়া গাহে ইউনুছ।
গাহে ইউসুফ গাহে ইয়াকুব গাহে হুদ বুদ ছেতাম্।
বরায়ে এক কাছা এমরোজ নক্দ ওয়াক্ ত শান গাশতম।।
জে বাছরে দিগারা রোজ " জাজা মাওদ বুদ্ ছেতম্।
নিয়াজ! আন্দর হাকিৎ লাইউজাল ওয়ালাম ইয়াজাল হাছতম।
মগর বা ই তাআবছ নিছত ওয়ানা বুদ্-বুদ্ ছেতম্।।
--------------
বাংলা অনুবাদঃ-
--------------
আমিই ঐ নূর যাহা লা মোকামে বিদ্যমান ছিলাম।
নিজের আলোকে তখন আমি নিজেই দর্শক ছিলাম।
তখন কোন জগৎ ছিলনা। এই আদমের কোন নাম - নিশানাও ছিল না।
আমিই শুধু নিজের রূপে নিজে বিভোর হইয়াছিলাম।
শিরিক ধবংস করিয়া তৌহীদ প্রতিষ্ঠার জন্য আমি
আম্বিয়া ও আওলিয়ার ছুরতে নিজকে প্রকাশ করি।
আদমের পোষাকে আবৃত ও লুক্কায়িত হইয়া
আমিই ফেরেস্তাগণের সেজদা গ্রহণ করিয়াছিলাম এবং
মুহাম্ম দ(দঃ) এর ছুরতে আমি নিজেই প্রশংসাকারী ও প্রশংসিত হইয়াছি।
আমি বিভিন্ন সময়ে কখনও শিশ কখনও নুহ কখনও ইউনুস,
কখনও ইউসূফ, কখনও ইয়াকুব আবার কখনও হুদরূপে প্রকাশিত হইয়াছি।
কাহারও জন্য কখনও আজিকার প্রত্যক্ষ অনুভূতি
আবার কাহারও নিকট আমি রোজ হাসরে মৌজুদ।
হে নিয়াজ, প্রকৃত পক্ষে আমি অমর" অনন্ত" অক্ষয়" ও অপরিবর্তনশীল।
কিন্তু সৃজন লীলায় লোক চক্ষুর নিকট আমি কতবার মিথ্যা মৃত্যু বরণ করিয়াছি এবং নিজেকে জগতের পরিবর্তনশীলতার মধ্যে আনিয়াছি।
আমার মর্ম কে বুঝিবে?
বাণী••~ মহিউদ্দীন ইবনুল আরবী
সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
বয়েতঃ ক্যায়া শান হ্যায় তোমহারে
কিতনে মোবারক শান হ্যায় তোমহারে
খুশবু তো আয়ে মাগার পাতা হ্যায় দেওয়ানে
যে লোগো নে নেহি পায়ে,ও তোমহারা নেহি।
ক্যায়া ছামঝে ও লোগে নে তুমহারে বারে মে
ক্যায়া বাতাও, উছ শান কি বারে মে ?
ইয়ে শানে আজিম হ্যায় জুল জালালে কি
ইয়ে শানে কারিম হ্যায় রহমানে কি
অায়নামাতুয়াল্লু ফাছাম্মাা ওয়াজহুল্লাহ কি
কুল্লু মান আলাইহে ফান অ-ইয়াবকা অজহু
রাব্বিকা জুলজালালে ওয়াল ইকরাম কি
কুল্লু শাইয়িন হালিকুন ইল্লা অজহাহু কা।
দীন ও দুনিয়াছে নেহী তাল্লুক, হ্যায় মুঝকো
ম্যায়তো শ্রেফ তোমহারে ইশকেছে দেওয়ানে হুঁ।
#স্বপন #চিশতী
শনিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
বয়েতঃ স্বরণ
আসরারুল হকঃ নুরুন আসরার-একটি রহস্যের নাম
--------------------------------------------------
প্রথম অংশ-আসরারুল হক। ব্যাখ্যা এবং বিশ্লেষণ
--------------------------------------------------
আসরারুল হক শব্দটি দুটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত। আসরার এবং হক।
আসরার অর্থ রহস্য । ইংরেজী Noun. যার অর্থঃ Mystery, secret, spirit, fun, merriment, pleasantly, joke, banter আর বাংলা রহস্য শব্দটি হচ্ছে বিশ্যেষ পদ। অর্থঃ গূঢ়, তাৎপর্য, মর্ম, দুর্বোধ্য, গুপ্ত কথা ইত্যাদি। বিশেষণ পদ হচ্ছেঃ গোপনীয়, রহস্যকথা।
হক শব্দটি বিশেষণ পদঃ সত্য, যথার্থ, ন্যায়। বিশেষ্য পদঃ ন্যায্য দাবী বা স্বত্ব বা প্রাপ্য।
প্রকৃত পক্ষে রহস্য কথাটি একটি পর্দার আড়ালে ঘেরা। সেই পর্দার ভেতর ঢুকতে না পারলে এর সর্ম্পকে কিছুই জানা যায় না। অর্থাৎ অজানাই থেকে যায়।
বিষয়টি এমনঃ হযরত খাজা শাহ্ পীরের ভাষায়-
গুপ্ত কথা জানতে যদি চাহো তুমি ওরে মন
একই রঙের লীলাখেলা নহে সেথা দুইজন।
কাজেই সত্য বা প্রকৃত রহস্যটি জানাই হচ্ছেঃ আসরারুল হক।
দ্বিতীয় অংশঃ নুরুন আসরার। ব্যাখ্যা এবং বিশ্লেষণ
-------------------------------------------------
নুরুন আসরার - দুটি শব্দ নুর এবং আসরার দ্বারা গঠিত। নুর শব্দটি বিশেষ্য পদ।অর্থঃ আলো, জ্যোতি। ইংরেজী Noun. যার অর্থ light, luster, splendor।
আসরার অর্থ রহস্য। ইংরেজী Noun. যার অর্থঃ Mystery, secret, spirit, fun, merriment, pleasantly, joke, banter আর বাংলা রহস্য শব্দটি হচ্ছে বিশ্যেষ পদ। অর্থঃ গূঢ়, তাৎপর্য, মর্ম, দুর্বোধ্য, গুপ্ত কথা ইত্যাদি। বিশেষণ পদ হচ্ছেঃ গোপনীয়, রহস্যকথা।
নুরুন আসরার হচ্ছেঃ নুরের রহস্য কথা বা গোপনীয় কথা।
প্রশ্ন হলোঃ জানবো কিভাবে? উত্তর একটাই। আর সেটা হলোঃ তার দাসত্ব করা। যেদিন থেকে দাসত্বের খাতায় নাম উঠানো হয়েছে, সেদিন থেকেই এই দাসত্ববৃত্তি থেকে মু্ক্তি নেই। যদি না কেউ স্ব-ইচ্ছায় সেখান থেকে সটকে না পড়ে।
কারা সটকে পড়বে? সটকে পড়বে তারাই যারা কু-জন। অর্থাৎ
হযরত খাজা শাহ্ পীর চিশতী (রহঃ) এর ভাষায়ঃ
চক্ষে ধুলি দিয়া পালায় যদি কেহ হয় কু-জন।
তাই,
সাবধান হইয়ে থেকো, অসাবধানে ছারখার।
কাজেই সাবধানে পথ চলাই বুদ্ধিমানের কাজ। তরীকতের পথে চলতে হলে সাবধানেই পা ফেলতে হয় এবং আদব কায়দার সাথে চলতে হয়। মনে রাখা দরকার, তরীকতের ইমামগণ যে পথ অনুসরণ করেছেন, সেই পথের পথিক হয়ে চলাই আহলে সুলুকদের প্রধান এবং একান্ত কর্তব্য।
বৃহস্পতিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
বয়েতঃআজিব বাত
তুম কিতনা আজিব থে, সাকী
শরাব কি পেয়ালা ভি আধি বাকী।
পিতে পিতে তামাম কর ডালি
মাগার তুমকো ভুল নেহী পায়.ই।
ইয়ে সাকী, চুপে চুপে আসো তুমি
নীরবে নিশীথে, অাসো তুমি এ বুকে।
দিয়ে ভালোবাসার অাধার
তুমি হয়েছো এক নির্বার।
তোমারি ইশক্.নে মুঝকো দিওয়ানা বানাইয়্যা
লোকে দেয় গালি, শুধুই খালি খালি
জানে না ওরা, তুমি যে কে?
তুমিতো সে.ই, আপন জন যে।
#স্বপন #চিশতী
বুধবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
বয়েতঃ নয়ন পাত
ইয়ে সাকী, তুম কিতনে আজিব হ্যায়
না তোমহারা নাম ছে কই পেহ্ চান প্যায়
না তুমকো ভি।
মাগার মেরি ইশক্ ইতনে
কা মিনা নেহি যো তুমকে পেহ্ চান না পায়।
মেরি ইশক তো কি এহি হ্যায়,
যো শরাব তুমনে দিয়া থা।
পিয়ে এ শরাব, হয়েছি মাতাল এক
তাল-মাতাল। পথ চলেছি একা
আঁকা-বাঁকা পথ। নয়তো সরল সোজা
বার বার কেবল পরে যাই,
উঠি একা একা।।
এ্যায় সাকী, রাত ভি আধি বাকী
খোলো তো তুমহারা নিকাব আজ,
জি ভরকে দেখু তুঝে, খুলে দুটি আঁখি
মুদিব না নয়ন পাত।।
বয়েতঃ ফাছাম্মাা ওয়াজহুল্লাহ
কি অপরুপ রুপ মমতায় সাজিয়েছো তুমি সাকী
রাতের এখনো অনেকটা বাকী।
দ্যাখো, রাতের আকাশের বুকে হাসে চাঁদ
দুরে নক্ষত্ররাজি; পুকুরের পাড়ে নরোম বাতাস
হাসছে হাসনে হেনা
এ যেন কাছে আসতে মানা। তবে
সাকী, এমনি রাতে তুমি এসেছিলে এ মনে
দিয়ে সকলকে ফাঁকি।।
পিয়ে শরাব লা ইলাহা ইল্লালল্লাহু
বেহুঁশে হয়েছি মাস্তি, তোমাতে।
ফা আয়নামাতুয়াল্লু, ফাছাম্মাা ওয়াজহুল্লাতে।।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)








