শুক্রবার, ১০ মে, ২০১৯

তুহি মেরি গরীব নাওয়াজ



ইক আাওয়াজ আয়ি
নাযিল হুইয়ি এই আয়াত
হে চেরাগী! তুহি তু হে,
তুহি মেরি গরীব নওয়াজ।।

মদদ মাঙ্গতেহে হাম তেরি দ্বারছে
শান ও শওকত ভি তেরি
যিকর ও ফিকর ছে।।
দিল মে যো দিয়া হে সেতার
গাইছে গীতি সে আল্লাহু আকবার।।

#স্বপন #চিশতী

কানার দল















হাম বড়ো মাওলানা আস্ত
বেশ ভুষায় হয়েছি পরিপুষ্ট।।
দেহখানা হয়েছে বেশ
গোস্ত রুটি খেয়ে তো শেষ।।
পরিতৃপ্তির ঢেকুর তুলি
বলি আল্লাহু আকবর।।

দাঁড়ি নাড়ি ফতুয়া ঝাড়ি
ডাক দিয়ে যাই বাড়ি বাড়ি
খ্যাতার গাট্রি কাঁধে তুলি
সত্তর হজ্জের ছোয়ােবের আশে
দিন দুনিয়াতে গেছিস ফেঁসে।।
আল্লাহ বলেন কুরআনেতে
মান কা'না হাজিহিতে
শয়তানের তাবেদারি
আর করিস না ওরে কানা।।

#ম্বপন #চিশতী

বৃহস্পতিবার, ২ মে, ২০১৯

বয়েতঃ স্বরণ

















দিল তো বুত থি তেরি ইশক্ মে খাজা
তোমারই নাম স্বরি তা হইল তাজা।।
ফাসকুরুলি আস কুরুকুমের আগুন
ইশক. যেন বাড়িয়ে দিলে দ্বিগুন।।
ধু ধু করে জ্বলছে তাই
অন্তর আমার পুড়ে হলো ছাই।।
হায়! খাজা মরণ কালে যেন
তোমার দেখা পাই।।


বয়েতঃ বেদনা






















এ কেমন প্রেম বুঝি না আমি..
চাইতে পারি না তোমায়..
হায়! অন্তর মোর জ্বলে যায়...
কি নিষ্ঠুর তুমি...
বোঝোই নিকো কোনো কিছু?
নীরব ভাষা এ কবির...
বুক ফাটে মুখ বন্ধ...
কি লজ্জা গভীর।।


বয়েতঃ ভন্ড
















দাঁড়ি, টুপির সাজ সজ্জায়
ধরি ঈমানদারের বেশ
নেচে গেয়ে ওয়াজ করিয়ে
টাকা কামাচ্ছে নাচিয়ে কেশ।।


ভন্ডেরা আজ লভিছে অন্তর
দিয়ে এক কুমন্ত্রণার যন্ত্রর..
কেটে কেটে ঈমানের দ্বার
করিছে লন্ড ভন্ড।।

শনিবার, ৯ মার্চ, ২০১৯

বয়েতঃ স্বরণ (যিকর)




















মনতো আমার পড়ে আছে তোমার পানে হায়
দেহটা ঠিকই আছে..দৃষ্টিটা শুন্যে হারায়।।
কি অপরুপ সৌন্দর্য্য নিয়ে দেহ ক্যানভাসে
আঁকছো তুমি ছবি,
ক্ষণে ক্ষনে ভেসে ওঠে তোমার নুরের খুবি।।

হায় ! পারি নাতো ধরে রাখতে তোমায়
ষড়রিপুর তাড়ণায়,
তবুও এই মন তোমাতে হারায়।
চেয়ে চেয়ে থাকা অার প্রাণে সয় না..
এসো না কাছে এসো না..
প্রাণের দুটো কথা তোমাকেই কই....
নীরবে নিভৃত্তে তোমাতেই বুঁত হয়ে রই।।

#স্বপন #চিশতী

রবিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

বয়েতঃ প্রেম























তোমার ঐ বাসন্তী রংয়ের শাড়িটাতে জমে আছে ধুল
ওড়নাতে জমেছে কিছু চুল, বন্ধু বলোতো কি ছিলো ভুল?
ভুল ছিল একটাই, তুমি ছিলে বারবনিতা আমি ছিলাম খরিদদার
প্রেমের কারনে দুটি দেহ মিলে মিশে একাকার।।


#ম্বপন #চিশতী

-----------------------
বয়েতটির ব্যাখ্যাঃ
-----------------------
বাসন্তি শব্দটির দুটি অর্থ আছে।
১.বিশেষ্য পদ/ দুর্গা; হলুদ বা কমলা রঙ।
২.বিশেষণ পদ/ বসন্তকালীন বা বসন্তকাল-সংক্রান্ত; হলুদ বা কমলা রঙের।
বাসন্তি রং-হলুদ বর্ণের প্রতীক; যার অর্থ হলো-ইচ্ছার মৃত্যু।
বাসন্তি রংয়ের শাড়ি বলতে ইচ্ছার মৃত্যুর পুর্ণতা বুঝায়।
বারবণিতা বলতে বুঝানো হয়েছে পতিতাবৃত্তিতে নিমজ্জিত নারীকে। যারা অর্থের বিনিময়ে প্রেম বিতরণ করেন।
খরিদদার বলতে বুঝানো হয়েছে প্রেম ক্রয়কারী ব্যক্তিকে। যিনি অর্থের বিনিময়ে প্রেম ক্রয় করে থাকেন।
মুলতঃ এখানে যে বিষয়টি প্রতিপাদ্য সেটি হলো মুর্শিদের প্রেম।
বাহ্যিক দৃষ্টিতে জাগতিক বিষয়ের দিকে তাকালে দেখা যায়ঃ একজন বারবণিতা অর্থের বিনিময়ে তার দেহকে বিকিয়ে দেন একজন খরিদদারের কাছে। সেই সময়টাতে সে কেবল খরিদদারের মনোরঞ্জন করে থাকেন। খরিদদার তখন বারবণিতার হাতের ক্রীড়ানক মাত্র।
ঠিক তেমনি একজন মুর্শিদের কাছে আছে হুব্বুন এলাহির প্রেম। যা আল্লাহ্ এবং তার রসুল (সাঃ) এর দিকে নিয়ে যায়। এখানে মুর্শিদকে প্রতীকী রুপে বারবণিতা বলা হয়েছে।
অন্যদিকে যারা সেই প্রেম ক্রয় করতে চান, তাদেরকে খরিদদার রুপে চিহ্নিত করা হয়েছে। তারা মুর্শিদের হাতে নিজেকে সঁপে দেন। তার ইচ্ছাতেই তিনি তখন পরিচালিত হন। দেহভিত্তিক সাধনার দ্বারা মুর্শিদ তখন সেই মুরিদের ভেতর হুব্বুন এলাহির প্রেম বিতরণ করে তার হৃদয়ে অবস্থান করে থাকেন। এই বিষয়টিকেই "দুটি দেহ মিলে মিশে একাকার" বলে চিহ্নিত করা হয়েছে।
যারা ভুল বুঝে ইনবক্সে নানান সমালোচনায় মুখোরিত ছিলেন, তাদের উদ্দেশ্যেই এই বয়েতটির ব্যাখ্যা প্রদান করা হলো।
#স্বপন #চিশতী

মঙ্গলবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০১৯

বয়েতঃ যিকর

















প্রেমের উত্তাপে পুড়ে গেছে অন্তর
হুব্বুনের যে মন্ত্র দিয়েছো তুমি নিরন্তর।
বারে বারে জপে তা কোন মন্ত্ররে
জপছে তা তসবিহ রুপে অন্তরে।।


তোমার প্রতীক্ষায়





















চলে এসো এক জোৎস্নায়
তোমাকে দেখবো এক মায়াবি
নতুন মহিমায়..
নতুন সাজে নতুন রুপে।
থর থরি মর মরি কাঁপিছে স্বজনী
রক্তে খেলছে হোলি খেলা..
দেখতে দেখতে কেটে যাবে বেলা।।


ছেঁড়া কাগজ ও তার আর্তনাদ

বাতাসে একটুকরো ছেঁড়া মলিন কাগজ উড়ছে। এথানে সেখানে। উড়তে উড়তে সেই মলিন কাগজটি একটি স্থানে এসে স্থির হয়ে বসে রইলো।

সেই পথ দিয়ে হেটে যাচ্ছিলেন এক বুজুর্গ লোক। সে কাগজটি দেখতে পেয়ে সেটা হাতে তুলে নিল তারপর পড়া শুরু করলো। পড়া শেষ হতেই লোকটি সেটা তার বুক পকেটে রেখে দিল।


সেটা দেখে এক পথিক সেই বুজুর্গলোকটির কাছে জানতে চাইলোঃ


- জনাবে আলা, কি লেখা রয়েছে সেই কাগজটিতে।


উত্তরে বুজুর্গলোকটি উত্তর দিলঃ


- কাগজটির করুণ পরিণতির কথা লেখা রয়েছে।


লোকটি বিশদ ভাবে জানতে চাইলো। সেটা লক্ষ্য করে বুজুর্গলোকটি বললোঃ


- শুন তাহলে। আমি প্রথমেই কাগজটির কাছে জানতে চাইলাম, তুমিতো সাদা ছিলে। কে তোমাকে মলিন করলো? সে জানালো-কলমকে জিগ্যাসা কর। আমি কলমের কাছে জানতে চাইলাম, তুমি কাগজটিকে মলিন করলে কেন? কলম উত্তর দিল-তার জন্য তোমরাই দায়ী। আমি বললাম কিভাবে? সে জানালোঃ আমার লেখার সাধ্য নেই। তোমরা মানুষেরা আমাকে দিয়ে যা খুশি লিখিয়েছো। অামি সেভাবেই চলেছি। তোমাদের হাতের পুতুল হয়ে। কাজেই আমাকে দোষ দিও না। আমি ভেবে দেখলামঃ ঠিকইতো। আমরাইতো তাকে মলিন করেছি। কাজেই আমার উচিত তাকে যথাযথ সম্মাান দেয়া। তাই তাকে বুকে তুলে নিয়েছি।